অক্সফোর্ড ছেড়ে অনলাইনে এখন সেলিব্রেটি বেভারলি

অনলাইন ডেস্ক: বছরে ৯৬০০ পাউন্ড বেতনের নার্সারিতে পড়েছেন তিনি। মোটামুটি চারটি সরকারি স্কুলেও পড়াশোনা করেছেন। পড়ার সুযোগ পেয়েছেন অক্সফোর্ডে। সেখানে তিনি আইন শাস্ত্রে পড়াশোনা করছিলেন। কিন্তু তার মাথায় অন্য এক ভূত চেপে বসে। তাই ২১ বছর বয়সী গ্রেসি বেভারলি তারকাখ্যাতি পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। বাদ দিয়েছেন অক্সফোর্ডের মতো প্রতিষ্ঠানে পড়া। তিনি মেতে উঠেছেন ইন্সটাগ্রাম নিয়ে। কারণ সেখানে তাকে তারকাখ্যাতি পেতেই হবে। ইন্সটাগ্রামে তার নাম গ্রেসি ফিট ইউকে। এরই মধ্যে তার অনুসারীর সংখ্যা ১০ লাখের বেশি। ইন্সটাগ্রামে তিনি ব্যায়ামের বিভিন্ন টিপস দেন। এ সময় তার শরীর ঢাকা থাকে টাইট স্পোর্টস পোশাকে। সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করে নিজের ফিটনেস বিষয়ক পণ্য বিক্রি করেন। স্পন্সরড ভিডিওর সঙ্গে অন্য ব্র্যান্ডের পণ্যও তিনি এন্ডোর্স করেন। পশ্চিম লন্ডনের সেইন্ট পলস গার্লস স্কুল থেকে একটি বিষয়ে এ-স্টার, দুটিতে এ এবং একটিতে বি গ্রেড পাওয়ার পর মিস বেভারলি যোগ দিয়েছিলেন অক্সফোর্ডে। তবে এ পর্যন্ত তাকে নিতে মা-বাবাকে অনেক অর্থ খরচ করতে হয়েছে। তার পিতা পিটার নিজস্ব ব্যবসায়ী পরামর্শ প্রতিষ্ঠান চালান। আর মা ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আলবার্ট মিউজিয়ামের একজন সিনিয়র কিউরেটর। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আইনি লড়াইয়ের পেশা বেছে নেয়ার আগে তিনি নিজের মতো পথ বেছে নিয়েছেন। বৃটিশ সামাজিক মিডিয়ার সুপার স্টার এখন জোয়েলা। তিনি প্রায় ১৫ লাখ পাউন্ড আয় করেছেন। তার মতো পথ ধরার চেষ্টা করছেন মিস বেভারলি।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা তারকাখ্যাতি পেয়ে গেছেন তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আর সেটা পারেন তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপন থেকে অর্জিত কমিশনের মাধ্যমে। যদি এক্ষেত্রে অনুসারীর সংখ্যা ১০ হাজার হয় তাহলে প্রতিটি পোস্টের জন্য তারা পান ১০০ পাউন্ড। অন্যদিকে যাদের এক লাখের মতো ফ্যান বা ভক্ত আছে তারা প্রতি পোস্ট থেকে কমিশন পান ৩৫০ পাউন্ড। এক্ষেত্রে মিস বেভারলি এরই মধ্যে এক মাসে চারটি স্পন্সরড ভিডিও পোস্ট করেছেন। ইউটিউবে তার রয়েছে ৩ লাখ ৬৬ হাজার অনুসারী। আর ইন্সটাগ্রামে আছে ৮ লাখ ৩৭ হাজার। এর অর্থ- তিনি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের কমিশন পাচ্ছেন। তাই এখন সবকিছু বাদ দিয়ে তিনি অনলাইনের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। এখান থেকেই আয়ের পথ পেয়ে গেছেন এবং তা অব্যাহত রাখতে চান। এ লেভেলে পড়া অবস্থায় তিনি যেসব ব্যায়াম চর্চা করতেন সেগুলো তখনই সামাজিক ওয়েবসাইটগুলোতে পোস্ট করা শুরু করেন। এতে যারা তার সঙ্গে যোগ দেন তার মধ্যে প্রায় ৪০০ জনকে ব্লক করে দিয়েছেন বিব্রত করার কারণে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *