এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসেছে সাড়ে ১৩ লাখ শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক : এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আজ সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে। চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত।

এ বছর এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থী। দেশের দুই হাজার ৫৭৯ কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ছাড়া বিদেশের আটটি কেন্দ্র থেকে অংশ নেবে ২৭৫ শিক্ষার্থী।

সূচি অনুযায়ী, আজ প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এইচএসসি বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র (ডিআইবিএস) এবং আলিমে কোরআন মাজিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় সকালে বাংলা-২ (নতুন সিলেবাস), বাংলা-২ (পুরনো সিলেবাস), বিকেলে বাংলা-১ (সৃজনশীল নতুন সিলেবাস), বাংলা-১ (সৃজনশীল পুরনো সিলেবাস) এবং ডিপ্লোমা-ইন কমার্সে সকালে বাংলা-২, বিকেলে বাংলা-১ (সৃজনশীল) পরীক্ষা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এবার এইচএসসিতে আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৮৮ হাজার ৪৫১ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি বিএম-এ এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন এবং ডিআইবিএসে ৪৩ জন অংশ নেবে। এর মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ ছাত্র এবং ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ ছাত্রী। আগামী ১১ মে পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা।

ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে ১২ থেকে ২১ মে পর্যন্ত। নিয়মানুযায়ী, এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই কক্ষে আসনগ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে এলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নম্বর ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএসএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অনুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। ছবি তোলা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়- এমন কোনো ফোন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও ব্যবহার করতে পারবেন না।

এ ছাড়া ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-শিক্ষক-কর্মচারী কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র বহনের কাজে কালো কাচযুক্ত মাইক্রোবাস বা ওই রকম কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন পরীক্ষার্থীরা শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন। এ ধরনের পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবেন। আর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *