টয়লেটে দুই খুনি আগে থেকেই বোরকা পরে বসে ছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল দুটি হোটেলে বসে। খুনিদের একাংশ জেলে থাকা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে এসেই এই হত্যাকাণ্ডের ছক এঁকেছিল। জেলেখানায় অন্যদের সঙ্গে দেখ করতে গিয়েছিল পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া নুর উদ্দিনও। হত্যাকাণ্ডের পর কে কীভাবে পালিয়ে যাবে কার কী দায়িত্ব সব কিছুই ঠিক করা হয়েছিল হোটেলে বসেই।

সাত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তে এসব তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার সঙ্গে মোট ১৩ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে সংস্থাটি।

নুসরাতকে যে ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে আগুন দেয়া হয়েছিল সেই ভবনের ছাদে দুটি টয়লেট ছিল। আর ওই দুই টয়লেটে দুজন খুনি আগে থেকেই বোরকা পরে বসে ছিল। নুসরাতকে যখন ছাদে ডেকে আনা হয়, তখন বাথরুম থেকে ওই দুজন খুনি বেরিয়ে এসে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।

তবে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে কীভাবে বোরকা পরা দুজন ব্যক্তি প্রবেশ করে ছাদে লুকিয়ে ছিল এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘খুনিরা কীভাবে সেখানে প্রবেশ করে লুকিয়ে ছিল সেটা লোকাল প্রশাসনের জানার কথা। তবে এই বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে যে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে তারা কীভাবে প্রবেশ করে ছাদের টয়লেটে লুকিয়ে ছিল।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *