নুসরাত হত্যার প্রতিবাদ তারকাদের

বিনোদন রিপোর্টার : সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ তারকারা। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান নুসরাত। শোবিজ অঙ্গনের অনেকে তারকা তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুসরাতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাইছেন।

রোকেয়া প্রাচী স্ট্যাটাসে লিখেন, মানুষ মানুষকে নিয়ে ভালোবাসায় মানবিকতায় একসাথে বসবাস করবে, যদি এর বিরুদ্ধে গিয়ে সভ্যতাকে কেউ ধ্বংস করে, নারী এবং পুরুষের মধ্যে বিরোধ আনে, ধর্ষক হয়, অত্যাচারী হয়, নির্মম নিষ্ঠুর হয়, তবে বিলুপ্তি ঘটুক! মানবিক পৃথিবীতে অমানবিক প্রাণীর নাম কি ইতিহাসে পুরুষ হিসেবেই আখ্যা পাবে? পাক, শেষ হোক এই অধ্যায়। চঞ্চল চৌধুরী লিখেন, নুসরাতের জন্য শোক, নুসরাতের জন্য প্রার্থনা, নুসরাতের জন্য প্রতিবাদ, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। জয়া আহসান তার ফেসবুক প্রোফাইলের ছবি পরিবর্তন করে মৃত নুসরাতের ছবি দিয়েছেন।

চিত্রনায়ক জায়েদ খান তার ফেসবুকে লিখেন, ক্ষমা করে দিও নুসরাত তোমাকে আমরা বাঁচাতে পারলাম না।’ চিত্রনায়িকা নিপুণ তার ফেসবুকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা ও একটি ছেলের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন লিখেন, এবার ওর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে! জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর তার ফেসবুক পেজে লিখেন, ‘নুসরাত …ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। কণ্ঠশিল্পী সন্দীপন ফেসবুকে লিখেছেন, নুসরাত, আহ কি ফুটফুটে দেবশিশু চলে গেল, আহ বুকের গহীনে বড্ড যন্ত্রণা অনুভব করছি..ওর গায়ের দগদগে পোড়াগুলোর মতোই অন্তর পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। আর কত।

উফ নিতে পারছি না।’ নাট্যকার মাসুম রেজা লিখেছেন, নুসরাতকে বাঁচানোর জন্য সব ব্যবস্থা নিয়েছিলেন আপনারা। তাকে বাঁচানো যায়নি।

এবার শুধু এই ব্যবস্থাটুকু করেন যাতে ইতিহাসের দ্রুততম সময়ে লোলুপ সিরাজ উদ্দৌলাদের বিচার হয়। নুসরাত জানতো তার এই পরিণতি হতে পারে তারপরও সে সিরাজ উদ্দৌলাকে কঠিন শাস্তি দিতে চেয়েছিল। নুসরাত আত্মহত্যার পথ পরিহার করে আত্মদান করে গেলো। এ যেনো ভুলে না যাই।’ চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক তার ফেসবুকে লিখেন, নুসরাতসহ সব ধর্ষকের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি আদায় করতে আমরা কী আরো একবার গণজাগরণ তৈরি করতে পারি না? মনে রাখবেন, দাবি আদায়ের আন্দোলন রাস্তায় হয়, ফেসবুকে নয়। অনিশ্চিত মৃত্যুর বিভীষিকা আর সহ্য হচ্ছে না ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *