আন্দোলন স্থগিত ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের চার জ্যেষ্ঠ নেতার আশ্বাসে অবশেষে আন্দোলন থেকে সরে এসেছে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া বিক্ষুব্ধ অংশ। ছাত্রলীগের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে বিতর্কিতদের এবং মধুর ক্যান্টিনে পদবঞ্চিতদের ওপর হামলার ঘটনায় চিহ্নিতদের বহিষ্কারের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে আন্দোলনকারীরা।

ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের চার জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠক শেষে গতকাল রোববার রাত দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন পদবঞ্চিতরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্দোলনকারী সাঈফ বাবু বলেন, ‘আমাদের দাবি মানা হয়েছে, তাই আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। আমাদের দাবি ছিল, বিতর্কিতদের কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্যদের স্থান দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ করিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া দুটি হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচার করতে হবে।’

এর আগে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে সংগঠনটির শীর্ষ দুই নেতার দ্বন্দ্ব মেটাতে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান; সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক ও বাহাউদ্দিন নাছিম। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আবু কাওসার।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে সেখানে ছিলেন- ছাত্রলীগের রোকেয়া হলের সভাপতি বিএম লিপি আক্তার, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা পারভীন, শামসুন নাহার হলের সভাপতি নিপু ইসলাম তন্বী, ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা সিকদার, গত কমিটির প্রচার সম্পাদক সাঈফ বাবু, বাংলাদ্শ কুয়েত মৈত্রী হলের সভাপতি শ্রাবণী শায়লা, জসীম উদ্দীন হলের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান।

বৈঠকে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীও উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলনকারীদের কাছে বিভিন্ন ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে গোলাম রাব্বানী বলেছেন, ‘আমরা চারজনকে বহিষ্কার করবো, আরও যদি কেউ থাকে তাদেরও বহিষ্কার করা হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *