‘আপাতত ১ লাখ রোহিঙ্গা ভাষানচরে যাচ্ছে’

স্টাফ রিপোর্টার : আপাতত ১ লাখ রোহিঙ্গা ভাষানচরে যাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য সকল রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসন। মিয়ানমারে কিছুদিন হলো নির্বাচন শেষ হয়েছে। নতুন সরকার গঠন করা হলেই তাদের সাথে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ফের আলোচনা করা হবে। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে যে কোনো সময় বাংলাদেশ প্রস্তুত।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এরইমধ্যে মিয়ানমারে পুনরায় নির্বাচিত হওয়া অং সান সুচির নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া শুরু করেছে। সে বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যখন সব দেশ মিয়ানমারের নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দিবে তখন বাংলাদেশও স্বীকৃতি দিবে। রাজধানীর রমনাস্থ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আজ ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন’র খসড়ার ওপর আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ শুধু চীনের দ্বারস্থ হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ কেবল চীনের দিকে চেয়ে নেই। জাপান, বৃটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো বাংলাদেশের অনেক বন্ধু সংকটটির নিরসনে মিয়নমারের ওপর নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে। বৈশ্বিক চাপে মিয়ানমার বারবার প্রত্যাবাসনে রাজি থাকলেও দুর্ভাগ্যজনক তারা এখনো তাদের বাস্তুচ্যুত একজন নাগরিককেও ফিরিয়ে নেয়নি। আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের রোহিঙ্গাদের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই আপাতত ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাষানচরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশেষতঃ এনজিও ওই স্থানান্তরের বিরোধীতা করছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান অনড়।

স্থানান্তর নভেম্বর বা ডিসেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে, এমন কথা সরকার বলেনি। গণমাধ্যমে নানা কথাই আসছে, তবে সেগুলো সত্য নয়। স্থানান্তরের তারিখ এখনও ঠিক হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, স্থানান্তরের তারিখ ঠিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনারা জানবেন। তবে দ্রুতই তারিখ ঠিক হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *