ওয়েস্টার্ন পোশাকে পার্লামেন্টে মিমি-নুসরাত; তোলপাড়

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূ‌ল কংগ্রেসের দুই বিধায়ক মিমি চক্রবর্তী ও নুসরাত জাহান। নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো পার্লামেন্টে যান এই দুই তারকা অভিনেত্রী। তবে ওয়েস্টার্ন পোশাক পরে যাওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হচ্ছেন তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গত সোমবার নিজেদের অ্যাকসেস কার্ড নিতে টপ ও প্যান্ট পরে পার্লামেন্টে হাজির হন মিমি-নুসরাত দুজনেই। প্রথমবার পার্লামেন্ট গিয়ে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করতে দেখা যায় তাদেরকে। আর এতেই চটেছেন একদল সমালোচক।

তাদের দাবি, নুসরাত ও মিমি পার্লামেন্টে ‘উপযুক্ত পোশাক’ পরে আসেননি। একজন লিখেছেন, ‘পার্লামেন্ট কোনো ফটো স্টুডিও নয়।’ আবার মিমিকে লক্ষ্য করে আর একজনের দাবি, ‘উনি এই পদের যোগ্য নন। ’

কেউ লিখেছেন, ‘ওখানে স্টাইল করতে গিয়েছেন, না ফটো তুলতে।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘পার্লামেন্টে টিকটক’। কেউ লিখেছেন, ‘দয়া করে নাটক করে বাংলা ও পার্লামেন্টকে হাসির খোরাক বানাবেন না।’

তবে এই বিতর্কের মধ্যে অনেকেই আবার এই দুই নব নির্বাচিত তৃণমূ‌ল নেত্রীকে সমর্থনও করেছেন। শাড়ি পরেই সাধারণত সব পার্লামেন্ট সদস্যরা আসেন, সে জায়গায় অন্য পোশাক পরিহিতা দুই পার্লামেন্ট সদস্যকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা।

একজন নুসরতকে তার পোশাকের জন্য প্রশংসা করেছেন। অন্য একজন দুজনকে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উৎসাহ দিয়ে বলেন ‘সিংহীর মতো কাজ’ করতে।

তবে নেতিবাচক মন্তব্যই পরিমাণে বেশি।

দুই টলিউড অভিনেত্রী সোমবার সংসদ চত্বরে আইডেন্টিটি কার্ড সমেত ছবি তোলেন। মিমি চক্রবর্তী সেই ছবি পোস্ট করেন নিজের টুইটার আইডিতে। নুসরাতকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘এবং আমরা আবার। পার্লামেন্টে প্রথম দিন।’

নুসরাতও টুইটারে একটি ছবি পোস্ট করেন। পার্লামেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে তোলা সেই ছবির সঙ্গে তিনি ধন্যবাদ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ দেন তার সংসদীয় এলাকার মানুষকে, যাদের ভোটে তিনি অনায়াস জয় পেয়েছেন।

৩০ বছরের মিমি কলকাতার যাদবপুর কেন্দ্রে জয়লাভ করেন প্রায় তিন লাখ ভোটে। ২৯ বছরের নুসরত জাহান বসিরহাট থেকে সাড়ে তিন লাখ ভোটে জয়লাভ করেন। দুই তরুণী অভিনেত্রীকে প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করা হচ্ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *