জীবনে একবার হলেও এ নামাজ পড়বেন

আবদুল হালিম খান : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (র.) বর্ণনা করেন, প্রিয় নবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার আব্বাজান হজরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (র.)-কে বলেছেন, চাচাজান! আমি কি আপনাকে একটা বস্তু দান করব না? আপনাকে কি একটি হাদিয়া দেব না? আপনাকে কি একটি বিশেষ তুহফা দেব না? আপনাকে কি হাদিয়াটির দশটি বৈশিষ্ট্য বলব না? তবে শুনুন! আপনি যখন সে হাদিয়া মোতাবেক আমল করবেন আল্লাহতায়ালা আপনার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন। ১. পূর্ববতী গুনাহ ২. পরবর্তী গুনাহ ৩. পুরাতন গুনাহ ৪. নতুন গুনাহ ৫. অনিচ্ছাকৃত গুনাহ ৬. ইচ্ছাকৃত গুনাহ ৭. সগীরা গুনাহ ৮. কবীরা গুনাহ ৯. অপ্রকাশ্যে কৃত গুনাহ এবং ১০. প্রকাশ্যে কৃত গুনাহসমূহ মাফ করে দেবেন।

হাদিয়াটি হলো আপনি চার রাকাত নফল নামাজ পড়বেন। প্রত্যেক রাকাতে সুরা ফাহিতার সঙ্গে অন্য একটি সুরা পড়বেন। প্রথম রাকাতে যখন কিরাত পড়ে শেষ করবেন তখন দাঁড়ানো অবস্থায় ১৫ বার আপনি বলবেন, সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আল্লাহ আকবার। অতঃপর রুকু করবেন এবং রুকুর তাসবিহ শেষে রুকু অবস্থায়ই এ কালেমা ১৯ বার পড়বেন। রুকু থেকে দাঁড়িয়ে ১০ বার পড়বেন। অতঃপর সেজদায় গিয়ে (সেজদার তাসবিহের পর) সেজদা অবস্থায়ই ১০ বার পড়বেন। প্রথম সেজদা হতে মাথা সোজা করে ১০ বার পড়বেন। অতঃপর সেজদায় গিয়ে পুনরায় ১০ বার পড়বেন। সেজদা থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে বসে আবারও কালেমাটি ১০ বার পড়বেন। এভাবে প্রথম রাকাতে ৭৫ বার হবে। এমনিভাবে চার রাকাতে কালেমাটি পড়তে থাকবেন। যদি পারেন আপনি প্রতিদিন এ নামাজ পড়বেন, তা না পারলে সপ্তাহে একদিন পড়বেন। তাও না পারলে মাসে একবার পড়বেন, তাও না পারলে বছরে একবার পড়বেন। অন্তত জীবনে একবার হলেও এ নামাজ পড়বেন। (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, ইবনে খুজায়মা, আবারানি)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *