দীপন হত্যা মামলায় আটজনের ফাঁসি

অনলাইন ডেস্ক: জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফীন দীপন হত্যা মামলায় আট আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রধান সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের ও আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আব্দুল্লাহ।

এর আগে আট আসামির মধ্যে কারাগারে আটক ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

গত রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) একই আদালতের বিচারক মজিবুর রহমান রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন।

গত ১৭ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন গোলাম ছারোয়ার খান। তিনি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন। আসামি পক্ষে ছিলেন এম নুরুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ।

এই মামলার আসামিদের মধ্যে মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক এবং আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব পলাতক।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমান অভিযোগপত্র জমা দেন।

এদিকে ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর দীপন হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সেদিন মামলার বাদী ও দীপনের স্ত্রী রাজিয়া রহমান ও জব্দ তালিকার সাক্ষী আজিজ সুপার মার্কেট কো-অপারেটিভ মালিক সমিতির সহকারী আনোয়ার হোসেন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ওইসময় মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ নভেম্বর আজিজ সুপার মার্কেটে নিজ অফিসে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পরপরই তার স্ত্রী শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *