‘নির্বাচকদের সিদ্ধান্তকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিয়েছি’

স্পোর্টস রিপোর্টার: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ সিরিজে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব ছেড়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। করোনা আবহে লম্বা বিরতির পর এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। তবে নির্বাচকদের প্রাথমিক দলে নেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়ক। দলে জায়গা না হওয়ায় জাতীয় দলে মাশরাফির ফেরা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাশরাফি মানেন সব কিছুরই শেষ আছে। তবে মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা থাকা পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে চান।
সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেন, ‘নির্বাচকদের সিদ্ধান্তকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিয়েছি। এটা আমার জন্য আশ্চর্যের ছিলো না। সবকিছুরই শেষ আছে।

আমি বিশ্বাস করি ভেবে চিন্তেই আমাকে দলে রাখা হয়নি। শরীর যতোদিন সায় দেয় আমি খেলা চালিয়ে যাবো। জানি না সামনে কি অপেক্ষা করছে। আমার বয়স এখন ৩৭ বছর। সবকিছুই শেষ হয়ে আসবে। একদিন ক্রিকেট ছেড়ে দেবো। নির্বাচকদের উপর আমার ভবিষ্যত নির্ভর করছে।’

বয়সের সঙ্গে মাশরাফির ফিটনেস নিয়ে চিন্তায় থাকতে হয় নির্বাচকদের। কিন্তু শেষ পাঁঁচ বছরে মাশরাফির রেকর্ড সন্তোষজনক। শেষ বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সেমিতে জেমকন খুলনার হয়ে ম্যাচসেরা ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। যদিও তার আগে করোনা ভাইরাস ও হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়েন এই পেসার। মাশরাফি অবশ্য ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত হন না; বরং ক্রিকেটে মনোযোগী হতে এটা তাকে অনুপ্রাণিত করে।

মাশরাফি বলেন, ‘১৮ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে কখনোই ফিটনেস পরীক্ষায় অকৃতকার্য হইনি। আমি বিশ্বাস করি কঠিন পরিশ্রম ভালো ফলাফল দেয়। আমি জানি ফিটনেসের গুরুত্ব। সব সময়ই নিজেকে ফিট রাখতে চেষ্টা করি। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টিতেও আমি নিজেকে প্রমাণ করেছি। আমি যেভাবে চেয়েছি সেভাবেই খেলতে চেয়েছি। সেকারণেই খেলা চালিয়ে যেতে চাই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *