বিশ্বকাপ জয়ী যুবাদের শাস্তি দেবে আইসিসি!

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা। তবে ম্যাচ শেষে ঘটেছে আপত্তিকর ঘটনা। খেলা শেষে দুই দলের ক্রিকেটাররা কথার লড়াইয়ে নামেন। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে।

বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা জয় সূচক রান পেতেই মাঠে উদযাপন করতে নেমে যায়। তখন দলের কেউ কেউ ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেন। ভারতীয় ক্রিকেটাররা তা মেনে নেয়নি। এরপর তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও প্রকৃত ঘটনা কী তা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলী, ম্যাচ রেফারি গ্রায়েম লাব্রয়ের কিংবা ভারতীয় দলের টিম ম্যানেজার আনিল প্যাটেল নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।

ফুটেজে দেখা যায়, ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ যুবা দলের এক ক্রিকেটার লাফ দিয়ে ভারতের ক্রিকেটারের সামনে দাঁড়িয়ে কিছু একটা বলেন। এরপর শুরু হয় হাতাহাতি।

ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের টিম ম্যানেজার অনিল প্যাটেল মনে করেন, দোষটা বাংলাদেশ দলের। তাই আইসিসি বাংলাদেশ দলকে শাস্তি দেবে বলে জানান তিনি।

প্যাটেল বলেন, ‘আমরা ঠিক জানি না, কী ঘটেছিল। আমাদের ক্রিকেটাররা হতভম্ব হয়ে পড়েছিল। আমরা বুঝতেই পারিনি মাঠে কী হচ্ছে। আইসিসি শেষ কয়েক মিনিটের ফুটেজ দেখবে। ম্যাচ রেফারি আমার কাছে এসেছিলেন। তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন, আইসিসি ব্যাপারটা নিয়ে সিরিয়াস। তারা ফুটেজ দেখে আমাদের বিষয়টি জানাবে বলেছে।’

ঠান্ডা মাথার ক্রিকেটার বলে এরই মধ্যে ক্রিকেট বিশ্বের কাছে নিজেকে পরিচিত করেছেন আকবর আলী। তিনি যেমন ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করেছেন। তেমনি অধিনায়ক হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে কথা কাটাকাটি নিয়ে উড়িয়েছেন শান্তির পতাকা। তিনি বলেন, ‘মাঠে যেটাই ঘটুক তা ঠিক হয়নি। ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা। দলের পক্ষে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

দলের ক্রিকেটাররা কোনো ভুল করলে তা অজান্তেই ঘটে গেছে বলে উল্লেখ করেন আকবর। বলেন ‘এমন ফাইনালে আবেগ বেরিয়ে আসে। দলের ক্রিকেটাররা একটা সময় খুব উচ্ছ্বসিত ছিল। সেজন্য তারা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে তাদের এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি। যেকোন পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান দেখানোর মনোভাব থাকতে হবে। খেলাটাকে সম্মান করতে হবে’ উল্লেখ করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *