শেষটা রঙিন হলো না টাইগারদের

স্পোর্টস ডেস্ক : শেষটা হলো না সুখকর। সুখ স্মৃতিকথা গাঁথতে পারলেন না টাইগার বাহিনী। যে প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করেছিলো শেষটা তেমন রঙিন হলো না। ফলে হতাশা নিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শেষ হলো। নর্দম্পটনে ১৯৯৯ সালে যে পাকিস্তানকে হারিয়ে মহাকাব্য রচনা করেছিলেন আকরাম, আমিনুল আর খালেদ মাহমুদরা, ২০ বছর পর তাদের উত্তসূরিরা তা পারলেন না।

বরং ২০ বছর আগের সেই হারের শোধ লর্ডসে এসে নিলেন ইনজামাম, ওয়াসিম আর শোয়েব আক্তারদের উত্তসূরিরা। ২০১৯ বিশ্বকাপের নিজেদের শেষ ম্যাচে টাইগারদের ৯৪ রানে বিশাল ব্যবধানে হারালো পাকিস্তান। এই ম্যাচটি বাংলাদেশেরও শেষ ম্যাচ ছিল। টাইগার ভক্তমনে প্রত্যাশা ছিল অন্তত শেষ ম্যাচটিতে পাকিস্তানকে বধ করে নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন মাশরাফি বাহিনী। কিন্তু সেটি আর হলো না।
বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে টাইগারদের।
পাকিস্তানের ছুঁড়ে দেয়া ৩১৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে টিম টাইগারস। সৌম্যের বিদায়। দলীয় ২৬ রানে ব্যক্তিগত ২২ রানেই আমিরের বলে ফখর জামানকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। বিশ্বকাপে নিজেকে মেলে না ধরতে পারা তামিম আজও ব্যর্থ। মাত্র ৮ রান করে শাহীন আফ্রিদীর বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। দুই ওপেনারের বিদায়ে বেশ বিপদেই পড়ে টিম টাইগারস। দলের আরেক ভরসার নাম মুশফিকও আজ কিছু না করেই ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটেন। তবে প্রতিদিনের মতো ব্যাট হাতে উজ্জ্বল সাকিব আল হাসান লিটন দাসকে নিয়ে বেশ খেলছিলেন। তিন উইকেট পতনের পর অনেকটা গুছিয়েও নেন দুজন। কিন্তু সেট হয়েও কেন যেন খেই হারিয়ে ফেলেন লিটন। ৩২ রান করে শাহিন আফ্রিদীর বলে হারিসকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। এরপর একে একে অর্ধশত করা সাকিব, মোসাদ্দেক, মাহমুদউল্লাহ, সাইফুদ্দিন হতাশই করলেন। কারো ব্যাট থেকে লড়াকু কোনো ইনিংস পাওয়া যায়নি। শাহীন আফ্রিদীর বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারলো না টিম টাইগারস।

পাকিস্তানের পক্ষে সবচেয়ে কম রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন শাহীন আফ্রিদী। এছাড়া সাদাব খান ২ এবং মোহাম্মদ আমির ও ওহাব রিয়াজ ১টি করে উইকেট তুলে নেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *